এইচ এম জালাল উদ্দীন কাউছার, উখিয়া

ইয়াবা বহনে রেকর্ড ছাড়িয়েছে সিএনজি-অটোরিকশা। এসব গাড়িতে করে প্রতিনিয়ত মাদক কারবার হয় নিরাপদে। নেপথ্যে থাকে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। পাচার কাজে ব্যবহৃত হয় শিশুরাও। যে কারণে বিভিন্ন প্রশাসনের অভিযানের পরেও থামানো যাচ্ছে না অবৈধ মাদক কারবার।

রামুতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি ২০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত ১২টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি)-এর অধীনস্থ মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদের দিকনির্দেশনায় এবং মেজর মো. আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে টহল তৎপরতা জোরদার করা হলে একটি সন্দেহজনক সিএনজি অটোরিকশা থামানো হয়।

আটক ব্যক্তি রামু উপজেলার পূর্ব ধেচুয়াপালং গ্রামের বাসিন্দা আবদুল গফুরের ছেলে আব্দুর রহমান (৩৬)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মাদক বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে সিএনজির পেছনের সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় তল্লাশি চালিয়ে ৪০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য পাচার রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও জানান, আটক আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।